How Big is the Jahannam? ( জাহান্নামের আকার ) | English with Bangla subtitles

252
Published on June 7, 2017 by Taqva

Do you know how big is Jahannam? What does the Quran and hadith say about the size of the hell? Watch this video to find out.

 

মনে করুন কোন এক অলস দুপুরে বেশ কয়েকজন বন্ধু একসাথে বসে আছেন।বাইরের খটখটে শুকনো রোদের দিকে ছায়ায় কাটানো সময়টুকু উপভোগ করছেন। সাথে বিক্ষিপ্তভাবে চলছে নানা আলোচনা। আলোচনায় ব্যাঘাত ঘটাল এক বিকট শব্দ।
.
অনেক উঁচু থেকে, অনেক ভারী কিছু নিচে পড়ার শব্দ। আপনারা এদিক ওদিক তাকাচ্ছেন, একে অপরের মুখ চাওয়াচাওয়ি করছেন ব্যাখ্যাহীন এ পতনের শব্দের কোন ব্যাখ্যা পাবার আশায়। কিন্তু না, কোন কিছু আপনার পড়তে দেখেন নি। আর কোন কিছুকে পড়ে থাকতেও দেখছেন না।
.
এমন সময় আপনাকে বলা হল আজ থেকে ৭০ বছর আগে একটি পাথরকে একটি জায়গায় ছুড়ে দেওয়া হয়েছিল। ৭০ বছর ধরে এ পাথরটি পড়ছিল। যে শব্দটা শুনলেন, এটা এ পাথরেরই আছড়ে পড়ার শব্দ।
.
আপনার প্রথম অনুভূতি হবে অবিশ্বাসের। নিঃসন্দেহে। তবে ক্ষণিকের জন্য অবিশ্বাসের অনুভূতিটাকে মূলতবি করা হলে কোন অনুভূতিটা আপনার চিন্তাকে আচ্ছন্ন করবে? বিস্ময়? নাকি অনুসন্ধিৎসা?
.
এ কেমন পাথর যা ৭০ বছর ধরে পড়ছে? আর এ কেমন খাদ যার তলায় পৌছুতে ৭০ বছর সময় লাগে? কি অচিন্তনীয় গভীরতায় উঁকি দিতে কেমন লাগবে? এ অতলস্পর্শী গভীরতার কিনারায় দাঁড়াতে কেমন লাগবে?
.
যদি আপনাকে বলি একদিন আপনি এই খাদের সম্মুখীন হবেন? যদি বলি সেইদিন বিস্ময়ের বদলে আপনার মধ্যে কাজ করবে তীব্র, সমগ্র অস্তিত্বকে আচ্ছন্ন করা ভয়? যদি বলি আপনি, আমি, আমরা এখন এই খাদের কিনারাতে দাঁড়িয়ে আছি?
.
.
আবু হুরায়রা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন –
.
كُنَّا مَعَ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، إِذْ سَمِعَ وَجْبَةً، فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «تَدْرُونَ مَا هَذَا؟» قَالَ: قُلْنَا: اللهُ وَرَسُولُهُ أَعْلَمُ، قَالَ: «هَذَا حَجَرٌ رُمِيَ بِهِ فِي النَّارِ مُنْذُ سَبْعِينَ خَرِيفًا، فَهُوَ يَهْوِي فِي النَّارِ الْآنَ، حَتَّى انْتَهَى إِلَى قَعْرِهَا»
.
আমরা একদিন রাসূলুল্লাহর ﷺ কাছে বসা। তিনি একটি শব্দ শুনলেন। তিনি জিজ্ঞেস করেন, তোমরা কি জান এটা কিসের শব্দ? আমরা জবাবে বললাম, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই সর্বাধিক ভাল জানেন।
.
তিনি বলেন, ৭০ বছর আগে, জাহান্নামে একটি পাথর নিক্ষেপ করা হয়েছিল, এখন তা এর তলদেশে গিয়ে পড়েছে। (মুসলিম, ২৮৪৪)।
.
আর কে আছে এমন যে স্বেচ্ছায় নিঃক্ষিপ্ত হতে চায় এ অগ্নিখাদে যার জ্বালানী হবে মানুষ ও জ্বিন?
.
এবং আমি আমার বান্দার প্রতি যা অবতীর্ণ করেছি, যদি তোমরা তাতে সন্দিহান হও তাহলে তৎসদৃশ একটি ‘‘সূরা’’ আনয়ন কর এবং তোমাদের সেই সাহায্যকারীদেরকে ডেকে নাও যারা আল্লাহ হতে পৃথক, যদি তোমরা সত্যবাদী হও! অতঃপর যদি তোমরা তা করতে না পার এবং তোমরা তা কখনও করতে পারবেনা, তাহলে তোমরা সেই জাহান্নামের ভয় কর যার খোরাক মনুষ্য ও প্রস্তর খন্ড – যা কাফিরদের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে।
[আল-বাক্বারা, ২৩,২৪]

Category Tag

Add your comment

Your email address will not be published.